তথ্য প্রযুক্তির কল্যাণে ২০৩০ সালের মধ্যে বাংলাদেশ হবে মধ্যম আয়ের দেশ:
তথ্যপ্রযুক্তির নতুন দিগন্ত ক্রিয়েটিভ টেকনিক্যাল ট্রেনিং ইনস্টিটিউট। ইহা সম্পূর্ণ অরাজনৈতিক, জনসেবামূলক ও দক্ষ মানব সম্পদ উন্নয়নের লক্ষ্যে সারাদেশে তথ্য প্রযুক্তির বিকাশ ঘটানো এবং জাতীয় পর্যায়ে তার সুফল বিস্তারের লক্ষ্যে এই ক্রিয়েটিভ টেকনিক্যাল ট্রেনিং ইনস্টিটিউট। প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়তে এবং ১ কোটি মানুষের কর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ্যে ২০২১ সাল থেকে গুটি গুটি পায়ে এগিয়ে চলছে ক্রিয়েটিভ টেকনিক্যাল ট্রেনিং ইনস্টিটিউট। THE COMPANIES ACT XVIII OF 1994 (SEE SECTION-115) আইনের অনুকূলে গভঃ রেজিঃ নং-CH-15691/2023 এর আওতাধীন BANGLADESH ENGINEERING & IT DEVELOPMENT কর্তৃক পরিচালিত ক্রিয়েটিভ টেকনিক্যাল ট্রেনিং ইনস্টিটিউট। প্রতিষ্ঠান রেজিষ্ট্রেশন নং 750279 সরকার কর্তৃক অর্পিত ক্ষমতা বলে দেশের প্রতিটি ইউনিয়ন, উপজেলা, ও জেলাগুলোতে বৃহত্তর বিজ্ঞান ও তথ্য প্রযুক্তি, কারিগরী সেবামূলক প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলা যার মূল উদ্দেশ্য তথ্য প্রযুক্তি ভিত্তিক গবেষণা ও প্রশিক্ষণের মাধ্যমে কর্মসংস্থান সৃষ্টি করে দেশের সকল পর্যায়ের দারিদ্র বিমোচন করা। প্রতিষ্ঠানটি ২০২১ সালে স্থাপিত হয়ে ২০২২ সালের সরকারী অনুমোদন লাভ করে । এই টেকনিক্যাল ট্রেনিং ইনস্টিটিউট। তার সফলতার ধারাবাহিকতায় অনেকগুলো সেবামূলক প্রকল্পের কাজ হাতে নিয়েছে। যার মধ্যে রয়েছে বাংলাদেশে প্রতিটি ইউনিয়ন, উপজেলা, ও জেলা গুলোতে IT Village গড়ে তোলা। এই পর্যন্ত প্রায় ৫১৮ টিরও বেশি IT প্রতিষ্ঠান সফলতার সাথে তাদের কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে। “EDUCATION IS THE BACKBONE OF A NATION” এই কথাটি যদি সত্যি হয়, তাহলে আজ কেন বাংলাদেশের সর্বোচ্চ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে পড়া শেষ করে আমাদের তরূণ মেধাবী ছেলে-মেয়েরা চাকুরী নামক সোনার হরিণের পিছে দৌড়ে, হতাশাগ্রস্থ হয়ে বেকারত্ব নামক অভিশাপের আঁচলে মুখ লুকিয়ে সমাজ ও পরিবার থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। তাহলে কোনটি সত্যি? তাদের মেধার অভাব? নাকি তারা সঠিক শিক্ষাব্যবস্থা পাচ্ছেনা? CREATIVE TECHNICAL TRAINING INSTITUTE এর প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক মনে করে দ্বিতীয়টি সত্যি। যে শিক্ষা ব্যবস্থা একজন ছাত্রের কর্মসংস্থানের নিশ্চয়তা দিতে পারে না, পারেনা তার মৌলিক চাহিদা পূরণ করতে, সে শিক্ষা ব্যবস্থা কোন শিক্ষাই নয়। যেমন- পুঁথিগত বিদ্যা আর পর হস্তে ধনের মতো যা প্রয়োজনের সময় কোন কাজেই আসেনা। সমাজের প্রতি দায়বদ্ধতা থেকে বলছি, আমাদের দেশের শিক্ষাব্যবস্থাকে আরো যুগোপযোগী ও আধুনিক তথ্য প্রযুক্তি ভিত্তিক শিক্ষা ব্যবস্থা হিসেবে গড়ে তুলতে হবে। যেখানে থাকবেনা কোন বেকারত্বের অভিশাপ।
আমাদের লক্ষ্য, উদ্দেশ্য ও পরিকল্পনা:
১।
“ক্রিয়েটিভ টেকনিক্যাল ট্রেনিং ইনস্টিটিউট” বাংলাদেশের প্রতিটি ইউনিয়নে ১টি করে ৪৫৫৪টি, উপজেলা হেড কোয়ার্টারে ৩টি করে ১৭৯৩টি এবং জেলা হেড কোয়ার্টারস্ এ ৫টি করে ৩২০টি সর্বমোট ৬৩৪৭ টি কেন্দ্র স্থাপন করা হবে।
২। প্রতিটি জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে ক্রিয়েটিভ টেকনিক্যাল ট্রেনিং ইনস্টিটিউট কেন্দ্রে ইন্টারনেট সংযোগ স্থাপনের মাধ্যমে দ্রুত কম্পিউটার লিটারেসি তৃণমূল পর্যায়ে বৃদ্ধির লক্ষ্যে অন-লাইন কম্পিউটার শিক্ষা প্রবর্তন কর্মসূচী বাস্তবায়ন। যার মধ্যে
BEIT - Online Education, সহ অন্যান্য ট্রেড চালু করার কার্যক্রম শুরু করা হয়েছে।
৩। আঞ্চলিক কেন্দ্রের পূর্ণ স্বাধীনতা থাকবে এবং পরিচালনার লক্ষ্যে ৫ সদস্য বিশিষ্ট স্থানীয় একটি আঞ্চলিক পরিচালনা পরিষদ থাকবে। ঐ সকল সদস্যমন্ডলী ক্রিয়েটিভ
টেকনিক্যাল ট্রেনিং ইনস্টিটিউট। সাধারণ সদস্য হিসাবে স্বীকৃতি লাভ করবেন।
৪। ক্রিয়েটিভ
টেকনিক্যাল ট্রেনিং ইনস্টিটিউট দেশী/ বিদেশী বিশ্ববিদ্যালয়,
শিক্ষা, গবেষণা, “ Memorandum of Understanding” এর মাধ্যমে নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের নিয়ম - নীতি অনুসরণ করে সাধারণ,
কারিগরী ও তথ্য প্রযুক্তি শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালনা করতে পারবে।
৬। ওয়ার্ল্ড আইটি - ফাউন্ডেশন যে কোন ছাত্র/ছাত্রীকে স্কলারশিপ, দেশের বরেণ্য ব্যক্তি ও গুণীজনকে পদক প্রদান করতে পারবে। ইহা ছাড়াও যে কোন সমস্যা বা উদ্ভুত পরিস্থিতির সৃষ্টি হলে তা প্রধান কার্যালয় ও আঞ্চলিক কেন্দ্রের মধ্যে আলোচনার মাধ্যমে সমাধান করা হবে। প্রয়োজনে ওয়ার্ল্ড আইটি ফাউন্ডেশন নির্বাহী কাউন্সিল উক্ত নীতিমালা পরিবর্তন,
পরিবর্ধন করতে পারবেন। সরকারী ও বেসরকারী সকল পর্যায়ে যারা এই মহান সৃষ্টির শুরু থেকে সফলতা অর্জন পর্যন্ত আমাকে সাহায্য ও সহযোগিতা করেছেন এবং আগামীতে করবেন, জাতি প্রকৃত পক্ষে সেই সকল মহান ব্যক্তিগণকে শ্রদ্ধাভরে স্বরণ করবে। মানুষ ঘুমের মাঝে স্বপ্ন দেখতে পছন্দ করে, আমি ঘুম থেকে উঠে বাস্তবে দেখতে পছন্দ করি। যেদিন ঘুম থেকে উঠে বাস্তবে দেখবো আমাদের দেশে অর্থাৎ বাংলাদেশে কোন বেকারত্ব থাকবে না সেদিন আমার সমস্ত চেষ্টা, পরিশ্রম ও স্বপ্ন স্বার্থক হবে বলে আমি মনে করি।
“ক্রিয়েটিভ টেকনিক্যাল ট্রেনিং ইনস্টিটিউট”
এর মূল মিশন এবং ভিশন
“বেকারমুক্ত বাংলাদেশ গড়বই আমরা”- এই আদর্শকে হৃদয়ে ধারণ করে- ১ কোটি মানুষের কর্ম সৃষ্টি এবং ডিজিটাল শিক্ষা ও সমাজ গড়ার লক্ষ্যে সারা দেশব্যাপী “ক্রিয়েটিভ টেকনিক্যাল ট্রেনিং ইনস্টিটিউট।”
(Create ICT Entrepreneur) তথ্য প্রযুক্তির উদ্যোক্তা সৃষ্টি কার্যক্রম চলছে। বর্তমানে প্রস্তাবিত প্রকল্পগুলোর মধ্যে রয়েছে IT Institute, Online Education, টেকনিকেল স্কুল এন্ড কলেজ, সেবা সুনিশ্চিত করার জন্য মেডিকেল কলেজ এবং হসপিটাল প্রতিষ্ঠা করা। বাংলাদেশের প্রতিটি থানায় ও জেলায় একটি করে Technical School & College এবং প্রতিটি Division এ একটি করে IT University Medical College & Hospital প্রতিষ্ঠা করার দৃঢ় প্রত্যয় নিয়ে কাজ করে যাচ্ছে ক্রিয়েটিভ
টেকনিক্যাল ট্রেনিং ইনস্টিটিউট।
দক্ষ জনশক্তি তৈরী এবং ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে
বিভিন্ন বিষয়ে প্রশিক্ষণ দিয়ে বেকারত্ব দূরীকরণঃ
১ কোটি মানুষের কর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ্যে দক্ষ জনশক্তি তৈরী এবং ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়তে BEIT কর্তৃক পরিচালিত ক্রিয়েটিভ টেকনিক্যাল ট্রেনিং ইনস্টিটিউট। সমূহ যে কোর্সগুলি দক্ষতার সাথে প্রশিক্ষণ দিয়ে দেশের বেকারত্ব দূরীকরণ এবং অর্থনীতিতে বিশেষ ভূমিকা পালন করছে সে কোর্সগুলি হচ্ছে- ডিপ্লোমা ইন আইসিটি, ডিপ্লোমা ইন কম্পিউটার সাইন্স,
ডিপ্লোমা ইন কম্পিউটার হার্ডওয়্যার ইঞ্জিনিয়ারিং,
ডিপ্লোমা ইন গ্রাফিক্স ডিজাইন, নেটওয়ার্কিং, অটো ক্যাড,
বেসিক এপ্লিকেশন কোর্স, ভিডিও এডিটিং, ওয়েব সাইড ডিজাইন এবং ডেভেলপমেন্ট। বলতে পারেন দেশ ও মানুষের কল্যাণে “ক্রিয়েটিভ টেকনিক্যাল ট্রেনিং ইনস্টিটিউট।”
এই সকল বিষয়ের প্রশিক্ষণ দিয়ে কর্মসংস্থান সৃষ্টি করছে।
তথ্য প্রযুক্তিকে তৃণমূল পর্যায়ে নিয়ে যাওয়া:
তথ্য প্রযুক্তিকে তৃণমূল পর্যায়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য সারা বাংলাদেশে তথ্যপ্রযুক্তিতে দক্ষ উদ্যোক্তা তৈরী করতে হবে। আমি বিশ্বাস করি তথ্য প্রযুক্তিকে যদি গ্রাম তথা তৃণমূলে নিয়ে যাওয়া যায় তাহলে এই দেশ আর বর্তমান অবস্থায় থাকবে না, বহুদূর এগিয়ে যাবে। গার্মেন্টস খাত থেকে যে আয় হচ্ছে তার চেয়ে বহুগুণ বেশী আয় তথ্য প্রযুক্তির খাত থেকে হওয়া সম্ভব। তথ্য প্রযুক্তিকে তৃণমূল পর্যায়ে নিয়ে গেলে ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার স্বপ্ন বাস্তবায়ন হবে।
তথ্য প্রযুক্তিতে আমাদের দেশ কতটুকু সফল হয়েছে:
তথ্য প্রযুক্তিতে আমাদের দেশ অনেক সফল হয়েছে। আমি মনে করি ৫ থেকে ৭ বছর বা বড় জোর ১০ বছরের মধ্যে বাংলাদেশের অর্থনীতির লাইফ লাইন হবে তথ্য প্রযুক্তি। গত ১০ বছরে বাংলাদেশে একটি বড় ধরনের আইটি বিপ্লব ঘটে গেছে। এর ধারাবাহিকতা বজায় থাকলে ২০৩০ সালের মধ্যে আমরা বিশ্বের কাছে বাংলাদেশকে মধ্যম আয়ের দেশ হিসেবে উপহার দিতে সক্ষম হব। এক কথায় বলা যেতে পারে ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়তে হলে তথ্য প্রযুক্তির বিকল্প নাই। তথ্য প্রযুক্তিতে উত্তরোত্তর আমাদের দেশ আরও এগিয়ে যাচ্ছে ।
দেশকে সমৃদ্ধির স্বর্ণ শিখরে পৌছাতে তথ্য প্রযুক্তিতে সঠিক প্রশিক্ষণ দিয়ে দক্ষ মানব সম্পদ গড়ে তুলতে হবে যা ২০৩০ সালের মধ্যে বিশ্বের কাছে বাংলাদেশকে মধ্যম আয়ের দেশ হিসেবে উপহার দেবে। ক্রিয়েটিভ টেকনিক্যাল ট্রেনিং ইনস্টিটিউট মূল উদ্দেশ্য তথ্য প্রযুক্তি নির্ভর আত্মকর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং দক্ষ মানব সম্পদ গড়ে তোলা।
ক্রিয়েটিভ টেকনিক্যাল ট্রেনিং ইনস্টিটিউট মাধ্যমে
একজন অভিভাবক তার সন্তানকে তথ্য প্রযুক্তির কি কি
বিষয়ে দক্ষ করে তোলার সুযোগ পেতে পারে:
ক্রিয়েটিভ টেকনিক্যাল ট্রেনিং ইনস্টিটিউট এর মাধ্যমে আপনি আপনার সন্তানকে তথ্য প্রযুক্তিতে সঠিক প্রশিক্ষণ দিয়ে দক্ষ করে গড়ে তুলতে পারেন। বর্তমান বিশ্বের সাথে তাল মেলাতে তথ্য প্রযুক্তির সঙ্গে নিজেকে মানিয়ে নেওয়াটাই প্রত্যেকটি সচেতন মানুষের কাজ। কম্পিউটার ব্যবহারকারীদের ক্ষেত্রেও ঠিক তাই। কারণ প্রতিনিয়ত প্রযুক্তি আপগ্রেড হচ্ছে। যেমন আজ থেকে ৬ মাস আগে যে প্রোগ্রাম ব্যবহার করা হয়েছে বর্তমানে তা ব্যাকডেটেড হয়ে গেছে। সুতরাং বিশ্বের সাথে তাল মেলাতে প্রযুক্তির সঙ্গে নিজেকে আপগ্রেড করতে হবে। এই প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে আপনি আপনার সন্তানকে যে সকল বিষয়ে প্রশিক্ষণ দিতে পারবেন সে বিষয়গুলো হচ্ছে- সার্টিফিকেট ইন কম্পিউটার সাইন্স এন্ড এ্যাপ্লিকেশন কোর্স, প্রফেসনাল অফিস ম্যানেজমেন্ট, ডিপ্লোমা ইন কম্পিউটার সাইন্স,
হায়ার ডিপ্লোমা ইন কম্পিউটার সাইন্স,
অটো ক্যাড, প্রফেশনাল ওয়েব ডিজাইন এন্ড ডেভেলপমেন্ট।